BDR (Nirmomota Charlo Sima)

Category

  • Reality/বাস্তবতা

Artist

Composer

Lyricist

Rating

  • Total Reviews: 0

Released At

  • April 12,2016

Audio Song


BDR (Nirmomota Charlo Sima)



 
                                     Ring Tone Code
 
Song Title
BDR (Nirmomota Charlo Sima)
Album Name
Khalid Sangeet -2
Gp/Airtel/Teletalk/Robi
5493621
Banglalink
59114740
Singer
Samina
 
For GP : wt space songcode send 4000
For Airtel : ct space songcode send 3123
For Teletalk : tt space songcode send 5000
For Robi : get space songcode send 8466
For Banglalink: down songcode send 2222

২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সাল। দিনটি আর দশটি সাধারণ দিনের মতোই হতে পারত। কিন্তু এমন এক শান্ত দিনে সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর কিছু জওয়ান, ঢাকার পিলখানার সদর দপ্তরে বর্বোরোচিত হামলা চালায়। ওই দিন সকাল সাড়ে ন’টার দিকে বিডিআরের বার্ষিক দরবার চলাকালে হলে ঢুকে পড়ে একদল বিদ্রোহী সৈনিক। এদের একজন তৎকালীন মহাপরিচালকের বুকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে। এরপরই ঘটে যায় সীমান্ত রক্ষীদের ইতিহাসের সেই নৃশংসতম ঘটনা।

বিদ্রোহী সৈনিকরা হাতিয়ার নিয়ে সেনা কর্মকর্তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা কর্মকর্তাদের হত্যা করে তাদের পরিবারকে জিম্মি করে ফেলে। পুরো পিলখানায় এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। চারটি প্রবেশ গেট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশেপাশের এলাকায় গুলি ছুঁড়তে থাকে তারা। বিদ্রোহীদের গুলিতে একে একে লুটিয়ে পড়তে থাকেন সেনা কর্মকর্তারা।

ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পর এ বিদ্রোহের অবসান হয়। পিলখানা পরিণত হয় এক রক্তাক্ত প্রান্তরে। পরে বিডিআর কমপাউন্ডে আবিষ্কৃত হয় গণকবর। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সেনা কর্মকর্তাদের লাশ। এ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ কর্মকর্তা, একজন সৈনিক, দুই কর্মকর্তার স্ত্রী, ৯ বিডিআর সদস্য ও পাঁচ জন বেসামরিক লোক নিহত হন। দেশের সীমান্ত রক্ষায় যারা অতন্ত্র প্রহরীর মতো কাজ করে, তাদের গুলিতে ঝরে যায় সেনাবাহিনীর চৌকস কর্মকর্তাসহ ৭৪টি তাজা প্রাণ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাগণ সদা নির্ভীক। দেশে ও বিদেশে তারা শান্তির প্রতীক হিসেবে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। অন্যায়-অবিচার রুখে পৃথিবীর গৃহযুদ্ধ আক্রান্ত বিভিন্ন দেশে যারা শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তারাই ঘরের শত্রুতে আক্রান্ত হন। পিলখানার দরবার হল সেনা কর্মকর্তাদের তাজা রক্তে রঞ্জিত হয়। বিবেক বিবর্জিত, বিপথগামী কিছু বিডিআর জওয়ান অনেক মায়ের বুক খালি করে। অনেক নারীকে করে বিধবা। অনেক সন্তানকে করে বাবা হারা। এ স্মৃতি সত্যিই দুঃসহ, যা ছাড়িয়ে যা নির্মমতার চরম পর্যায়।

একজন মেজর জেনারেল, ব্রিগেডিয়ার কর্নেল, লে. কর্নেল, মেজরসহ ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার ভয়াবহ ঘটনা আজও অনেককে কাঁদায়। আজও বিদ্রোহের সেই দুঃসহ স্মৃতি অনেকের চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ভাসে। ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে নিহত হওয়ার আগেও সেনা কর্মকর্তাদের চোখে-মুখে ছিল স্বপ্নের জাল বোনা। কিন্তু মাত্র অল্প সময়ের ব্যবধানে সব শেষ। বর্বরতার সীমাকে লঙ্ঘন করে, সব স্বপ্নকে পদদলিত করে নারকীয় এই হত্যাযজ্ঞ। সেই দুঃসহ স্মৃতি কোনোভাবেই ভোলার নয়। আসলে মনুষত্বের ব্যাপক ক্ষয় না হলে এমন হত্যাযজ্ঞ চালানো সম্ভব হতো না।

২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ড নিমর্মতার যেকোনো সীমা অতিক্রম করে। সভ্যতার উৎকর্ষের এই যুগে ভাই হয়ে ভাইয়ের বুকে গুলি চালানোটা সভ্যতারই পরাজয়ের সামিল। পিলখানায় এই বিদ্রোহের ঘটনায় বিডিআরের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে যায়। শুরু হয় বিডিআর পুনর্গঠনের কাজ। বিডিআরের নাম, পোশাক, লোগো ও সাংগঠনিক কাঠামো পরিবর্তন করা হয়। বিডিআর-এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তর হয়। হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর রাজধানীর লালবাগের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিচার করা হয়। বিচার শেষে ২০১৩ সালে ৫ নভেম্বর হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান। মামলার আসামি ছিলেন ৮৫০ জন।

এ মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পান আরো ২৫৬ জন। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান ২৭৭ জন।

Deadline 25 February 2009. The day could be an ordinary calendar day. But on that quiet day, some soldiers of Bangladesh Rifles (now Border Security Guard) conducted a barbaric attack in the BDR headquarters at Pilkhana of capital Dhaka. At 9.27 am on the tragic day, a group of rebel soldiers stormed the BDR Darbar hall during the opening session of the annual function of security force. One of them pointed gun to the then Director General. After that the tragic event of the border guards took place.
 
The radical soldiers attacked hundreds of army officials. They killed innocent officials and took hostage their families. The whole Pilkhana compound turned into a butcher field. They took control over all the four entries of the BDR headquarters and opened fire indiscriminately. The skilled army officials were killed one after another by the bullets of spoiled soldiers of BDR.
 
The mutiny ended after 36 hours. The Pilkhana turned into a bloodiest wilderness. Mass grave was discovered in the BDR compound where dead bodies of the army officials were found. The carnage killed 57 Army officials, a soldier, wives of two official, 9 BDR members and five civilian men. The incident claimed lives of 74 fresh souls. The BDR men who kept vigil at the border areas of the country, now turned into cold blood murderers.  
 
The officials of Bangladesh Army are always fearless. They are working with reputation as symbol of peace at home and abroad. The Bangladesh Army has established peace in different countries but now became victims at own home. The BDR Darbar hall was flooded with flesh and blood of the officials. Some brute and undisciplined soldiers have made the lap of mothers empty. Many women were made widows. Many fathers were made childless. The memories and fear of the incident have exceeded the level of extreme brutality.
 
The heinous killing of 57 talented army men including a major general, brigadier, colonel, lieutenant colonel still make many people cry. Today, the trauma of the mutiny is still alive in the eyes of many. All were killed in a little span of time. The trauma is by no means forgotten. In fact, the killings remind us one of the brutal things of inhumanity.
 
The killings of February 25 and the following day exceeded the limit of brutality. In this era of civilization, killing by brother is defined as defeat of civilization. The organizational structure of BDR collapsed following the bloody Pilkhana mutiny which led reconstruction inside the force. The name of BDR, their uniform, its logo and organizational structure was changed. Following which BDR was renamed Border Guard Bangladesh (BGB).
 
On February 28, in 2009, two separate cases were filed with Lalbagh Police Station under murder and explosive act. Later the cases were shifted to New Market Police Station. After submitting charge sheets of the killing case, special trial court was set up at Lalbagh Alia Madrasha playground. On November 5, 2013 the verdict of the killing case was delivered. Dhaka's Additional Metropolitan Sessions Judge Md. Akhtaruzzaman pronounced the verdict where 850 people were accused.
 
In this case, 152 people were sentenced to death and 161 were sentenced to life-term imprisonment. Besides, 256 more were given various terms of sentences including maximum 10-year jail. Meanwhile, 277 accused were acquitted as no charge against them could be proved.