Ar Noy Agni Shikha

Category

  • Awareness/জন সচেতনতা

Artist

Composer

Lyricist

Rating

  • Total Reviews: 0

Released At

  • April 12,2016

Audio Song


Ar Noy Agni Shikha



 
(RingTone Code)
Gp/Airtel/Teletalk/Robi 5530060
Banglalink 59114775
 
For GP : wt space songcode send 4000
For Airtel : ct space songcode send 3123
For Teletalk : tt space songcode send 5000
For Robi : get space songcode send 8466
For Banglalink: down songcode send 2222

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানের শ্রমবাজার সস্তা হওয়ায় তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় । পোশাক শিল্প খাত দেশের নারীর ক্ষমতায়নকে শক্তিশালী করেছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। অথচ এই সাফল্যের নিয়ামক শক্তি পোশাক শ্রমিকের ন্যূনতম স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছেনা।
 
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬০ সালে। তবে মূলত স্বাধীনতার পরই বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ ঘটে । ১৯৮১-৮২ সালে ০.১ বিলিয়ন টাকার রেডিমেইড গার্মেন্টস রপ্তানি করে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশ আলাদা বৈশিষ্ট্যে আবির্ভূত হয়। এরপর মাত্র ১০ বৎসরের ব্যবধানে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ১৯৯২-৯৩ সালে ১৪৪৫ মিলিয়ন ইউ.এস ডলারে উন্নীত হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি।
 
রপ্তানি আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সংখ্যাও বেড়েছে । বর্তমানে বাংলাদেশে ৫ হাজারেরও বেশি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে। যেগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে পোশাক উৎপন্ন করা হচ্ছে। ৯০ দশকের পর নারীদের অর্ন্তভুক্তি এই শিল্পকে আরো গতিশীল করে তোলে।
 
দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে । জিডিপিতে প্রত্যক্ষ অবদান ছাড়াও এ শিল্পে বহু লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে যার সিংহভাগই নারী শ্রমিক। পোশাকশিল্প শুধু অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখেনি, পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগী শিল্প ও সেবাখাতের প্রায় আড়াই থেকে তিনকোটি মানুষের জীবিকার সংস্থানে এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ।
 
যাদের শ্রমে এই শিল্পটির দারুণ অগ্রগতি সে পোশাকশ্রমিকরা কিন্তু মোটেই ভাল নেই। তাদের যথার্থ পাওনা ও কর্মস্থলের পরিবেশ সেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েই আছে। কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় শ্রমিকদের প্রাণহানির চিত্রটিও ভয়াবহ। কোথাও শ্রমিকদের জন্য আন্তরিকতা দেখা যায় না। আবার যেটুকু উদ্যোগ নেয়া হয়, তাও দায়সারা গোছের।
 
অগ্নিকাণ্ড, ভবন ধস, দুর্ঘটনার সময় তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যাওয়া যেন তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের অবধারিত নিয়তি।এক পরিসংখ্যানে  দেখা যায়,  ১৯৯০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত  ২৪ বছরে গার্মেন্টস শিল্পে আগুন ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২১২৯ জন। গার্মেন্টস কারখানার ভয়াবহ অঘটনচিত্রটি একেবারেই হৃদয়বিদারক।  ২০১৩ সালে  সাভারের রানা প্লাজা ভবন ধ্বসে সরকারি হিসাবে ১,১২৭ জন শ্রমিক প্রাণ হারায়, যা তৈরি পোশাক শিল্পে ঘটা এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা।
 
বারবার দুর্ঘটনার পর দাবি ওঠে গার্মেন্টস কারখানায় অগ্নি প্রতিরোধ  ও নির্বাপক ব্যবস্থা রাখার এবং শ্রমিকদের জন্য বিকল্প সিঁড়ির। তাজরীন ফ্যাশনন্সে আগুনের এলার্ম শুনে  শ্রমিকরা বেরিয়ে যেতে চাইলে তাদের  তালাবন্ধ করে আটকে রাখায় ১১১ শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তাজরীন গার্মেন্টসে আগুন লেগে যে ব‌্যাপক প্রাণহানি ঘটে, তাতে পুরো জাতি স্তব্ধ হয়ে যায়। মর্মান্তিক ওই ঘটনার প্রেক্ষাপটে এই গানটি লেখা হয়েছে।
 
গার্মেন্টসে একের পর এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হচ্ছে। ভবন ধসসহ নানা দুর্ঘটনা ঘটছে । এতে ব্যাপক প্রাণহানির পাশাপাশি কোটি কোটি টাকার সম্পদও ভস্মীভূত হচ্ছে। তারপরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অগ্নিকাণ্ড রোধে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তা খুব বেশি আশাব‌্যঞ্জক নয়।  মালিক-শ্রমিকের মধ্যে সম্পর্ক ভালো না থাকলে উৎপাদন ব্যাহত হয়। আমাদের দেশের শ্রমিকদের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করতে পারলে তাদের মতো ভালো শ্রমিক আর হয় না। সুতরাং সব পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।
 
তারপরও জীবন থেমে থাকে না। শত বাধা-বিপত্তি ও জীবনের ঝুঁকি নিয়েও কাজ করে যান পোশাক শ্রমিকরা। কারণ বাঙালি জাতি হার মানতে জানে না। তারা লড়াই করে মাথা উচুঁ করে বাঁচতে জানে। সব সীমাবদ্ধাতাকে পেছনে ফেলে তৈরি পোশাক খাত এগিয়ে যাচ্ছে শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে। সহজ-সরল ও পরিশ্রমী এই শ্রমিকদের অবদানে আরও সমৃদ্ধ হবে দেশ। তারা দেশের জন্য বয়ে আনবেন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
 
 
The readymade garment sector is very much important for Bangladesh’s economy. Bangladesh achieved second position exporting readymade garments due to cheap labour marker. Garment industry sector strengthened Women's empowerment also. An ideal environment to increase affordability was created generating employment facilities. But, unfortunately the minimum rights of these workers are not seen protected.
 
Garments industry started its journey in Bangladesh in 1960. However, the development of the sector began just after independence. Bangladesh appeared in global market with a different image in 1981-82 exporting tk0.1 billion readymade garments. In the space of just 10 years, the garment export earnings reached at $1,445 million in 1992-93. From then, Bangladesh, in RMG sector, moved forward smoothly. At present, the number of garment factories and export earnings has been increased.
 
There are more than 5,000 garments factories in the country right now. These factories are supplying huge products of readymade garments. Contribution of women after 90s, made the sector more dynamic.
 
The major export earning of the country comes from the garment sector. The sector plays an important role in GDP as well as creating employment facility for women. Garment sector not only accelerates economic wheel but also made a wonderful example of success in the country generating employment scope for crores of people.
 
But it is very unfortunate that those hard works made us achieve the success, they, the garment workers, are not in well position. Their wage and work environment raise questions. The environment of their work stations is horrific as deaths, due to accidents in RMG factories, have become a common phenomenon. There is no cordiality for workers although some garments take initiatives in this regard which are not sincerely enough.
 
Fire, building collapses, stampede become an inevitable destiny to the lives of garment workers. A statistics reported that 2,129 garment workers died due to fire and other accidents in garment factories in last 24 years since 1990 to 2013.
 
Accident in garment factory is extremely heartbreaking. At total of, 1,127 garment workers lost their lives in Rana Plaza building collapse in 2013 which is the largest accident in garment history. Demand rose from various quarters to set up fire prevention and extinguishing systems after repeated accidents in factories. Hearing fire alarm, workers in Tazreen Fashions tried to leave the factory but they were locked up which caused the deaths of 111 workers. On the other hand, the lack of rescue equipments in the country made the people frustrated after Rana Plaza collapse. The tragic incident of Tazreen garment made the whole nation speechless. The song has been written after the incident.
 
Devastating fire in garment factories, building collapse and others accidents claim innumerable lives. These industrial accidents also damage wealth worth crores of Taka. However, the concerned authority is not taking proper steps.
 
Production disrupts for poor relation between RMG factory owners and workers. Our workers can provide their best if the authority met their minimum demands. So, adequate security for workers in all garment factories is a crying need.