Ajke Borodin

Category

  • Religious/ধর্মীয়

Artist

Composer

Lyricist

Rating

  • Total Reviews: 0

Released At

  • April 12,2016

Audio Song


Track


Ajke Borodin



(RingTone Code)
Gp/Airtel/Teletalk/Robi 5530057
Banglalink 59114772
 
For GP : wt space songcode send 4000
For Airtel : ct space songcode send 3123
For Teletalk : tt space songcode send 5000
For Robi : get space songcode send 8466
For Banglalink: down songcode send 2222a

খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের কাছে বড়দিন বা ক্রিসমাস খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতি বছর ২৫ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে বড়দিন বা ক্রিসমাস পালিত হয়। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা দিনটিকে যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন হিসেবে পালন করেন।
 
খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস প্রায় দুই হাজার বছর আগে মাতা মেরির (বিবি মরিয়ম) গর্ভে জন্মেছিলেন যিশু। তবে যিশুর জন্ম হয়েছিল অলৌকিকভাবে। মেরি ছিলেন ইসরাইলের নাজারেথবাসী যোসেফের বাগদত্তা। সৎ, ধর্মপ্রাণ ও সাধু এই মানুষটি পেশায় ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। একদিন এক স্বর্গদূতের (ফেরেস্তা) কাছ থেকে মরিয়ম জানতে পারেন, মানুষের মুক্তির পথ দেখাতে তাঁর গর্ভে আসছেন ঈশ্বরের পুত্র। দূত শিশুটির নাম যিশু রাখার নির্দেশ দেন।
 
বিয়ের আগেই মেরির সন্তান হচ্ছে জেনে ধর্মপ্রাণ যোসেফ খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন গোপনেই ত্যাগ করবেন মেরিকে। কিন্তু সেই স্বর্গদূত এসে যখন ঈশ্বরের পরিকল্পনা যোসেফের কাছে খুলে বলেন, তখন যোসেফ রাজি হয়ে যান মেরিকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে।
 
যোসেফের গ্রাম নাজারেথ ছিল জুদেয়া রাজ্যের একটি শহর। রাজার নির্দেশে তখন রাজ্যজুড়ে চলছে আদমশুমারির কাজ। কর দেওয়া ও নাম লেখানোর জন্য হাজার হাজার মানুষ বেথেলহেমে যান। মেরিকে গাধার পিঠে বসিয়ে যোসেফও রওয়ানা দেন বেথেলহেমে। পথেই মেরির গর্ভবেদনা ওঠে। রাজ্যের মানুষের ভিড়ে বেথেলহেমের কোনো হোটেলে জায়গা হয় না তাদের। অবশেষে উপায়ন্তর না দেখে সন্তান জন্মদানের জন্য মেরিকে এক গোয়ালঘরে ঠাঁই নিতে হয়। সেখানেই জন্ম নেন যিশু।
 
বড় হয়ে যিশু মানুষের মাঝে মুক্তির বার্তা প্রচার করেন। মানুষকে দেখাতে থাকেন ঐশ্বরিক প্রেমের পথ। করতে থাকেন নানা অলৌকিক কাজ। এতে যিশুর অনুসারী হতে থাকে সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে তিনি মুখ খোলেন ইহুদি ধর্মগুরুদের ভণ্ডামির বিপক্ষে। এতে দারুণভাবে ক্ষিপ্ত হয় ইহুদি ধর্মগুরুরা। তারা রোমান শাসকদের কাছে যিশুকে তুলে দেন। তাঁর বিপক্ষে অভিযোগ আনেন ধর্ম ও ঈশ্বরকে অবমাননার।
 
ইহুদি ধর্মগুরুরা রোমান শাসকদের বাধ্য করেন যিশুর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিতে। যেরুশালেমের গলগাথা নামক স্থানে যিশুকে ক্রুশে দিয়ে হত্যা করা হয়। খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করে মৃত্যুর তিন দিন পর যিশু পুনরায় জীবন ধারণ করেন।
 
যিশুর জন্মের অনেক বছর পর থেকে খ্রিষ্টানরা এ দিনকে আনন্দ ও মুক্তির দিন হিসেবে পালন করতে শুরু করে। ২০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মিসরে প্রথম বড়দিন পালনের প্রমাণ পাওয়া যায়। গ্রিক কবি, লেখক ও ইতিহাসবিদ লুসিয়ান তার সময়ে ক্রিসমাস পালিত হত বলে উল্লেখ করেছেন। ২২১ খ্রিষ্টাব্দে মিসরের একটি দিনপঞ্জিতে লেখা হয়েছিল, মা মারিয়া ২৫ মার্চ গর্ভধারণ করেন। এ বিষয়টি রোমান ক্যালেন্ডারেও ছিল। এ ক্যালেন্ডারে সূর্যদেবতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উৎসবের কথাও রয়েছে। সে হিসাবে গর্ভধারণের নয় মাস পর ২৫ ডিসেম্বর যিশু জন্মগ্রহণ করেন বলে খ্রিষ্টান ধর্মগুরুরা মত দেন। ইতিহাস রয়েছে, ৩৩৬ খ্রিস্টাব্দে রোমে সর্বপ্রথম বড় আকারে বড়দিন উৎযাপন শুরু হয় ‘স্যাটার্নালিয়া’ উৎসবকে কেন্দ্র করে। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য দেশেও। ৩৫৪ খ্রিষ্টাব্দের রোমান ক্রমপঞ্জিতে ২৫ ডিসেম্বর যিশুর জন্মদিন উল্লেখ করে দিনটিকে যিশুর জন্মদিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ৪৪০ সালে পোপ একে স্বীকৃতি দেন।
 
মধ্যযুগে বড়দিন উৎসব আরো জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ৮০০ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে জার্মানির রাজা রোমান সম্রাট হিসেবে গির্জা কর্তৃক মুকুট ধারণ করেন। ১০০০ খ্রিষ্টাব্দে রাজা সেন্ট স্টিফেন হাঙ্গেরিকে খ্রিষ্টান রাজ্য ঘোষণা করেন। ১০৬৬ খ্রিস্টাব্দে রাজা উইলিয়াম ইংল্যান্ডের মুকুট ধারণ করেন। ক্রিসমাস উৎসব প্রসারে এগুলো বেশ প্রভাব ফেলে। তবে প্রটেষ্টান্ট সংস্কারের সময় একদল লোক বড়দিন পালনের বিরোধিতা শুরু করে। তাদের অভিযোগ, উৎসবটি পৌত্তলিক এবং ধর্মীয়ভাবে এর কোনো তাৎপর্য নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইংল্যান্ডের গোঁড়া শাসকরা ১৬৪৭ সালে বড়দিন উৎসব পালন নিষিদ্ধ করে। অবশ্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর এ নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। বর্তমানে শুধু ক্যাথলিক নয়, প্রটেষ্টান্টসহ সব খ্রিষ্টানরাই এ উৎসব পালন করেন।
 
ভারতবর্ষে প্রথম ক্রিসমাস উৎযাপিত হয় ১৬৬৮ সালে। কলকাতা নগরী গোড়াপত্তনকারী জব চার্ণক প্রথম বড়দিন পালন শুরু করেন বলে জানা যায়। ওই বছর হিজলি যাওয়ার পথে সুতানুটি গ্রামে আসার পর চার্ণক খেয়াল করলেন, বড়দিন এল বলে! সেখানেই যাত্রাবিরতি করে বড়দিন পালন করেন চার্ণক। সেই থেকেই আমাদের দেশে বড়দিন পালিত হয়ে আসছে।
 
বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিত হলেও রাশিয়া, জর্জিয়া, মিসর, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন ও সার্বিয়ায় ব্যতিক্রম। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের জন্য এ দেশগুলোতে ক্রিসমাস পালিত হয় ৭ জানুয়ারি। উত্তর ইউরোপীয়রা যখন খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তখন পৌত্তলিকতার প্রভাবে ক্রিসমাস শীতকালীন উৎসবের মতো পালন শুরু হয়। ফলে সেখানকার এ উৎসবে শীত উৎসবের অনুষঙ্গও জড়িত হয়েছে। এখন পর্যন্ত স্ক্যান্ডিনেভীয়রা এ দিনটিকে `জুন` উৎসব বলে থাকে। পূর্বদেশ অর্থাৎ এশিয়া মাইনরের দেশগুলোতে ৬ জানুয়ারি এ উৎসব পালন করা হয়। ৬ জানুয়ারি যিশুর ব্যাপ্টিজম বা দীক্ষাস্নান দিবস।
 
যিশুর জন্মের দিনক্ষণ নিয়ে বিভ্রান্তি ও মতভেদ থাকলেও, বড়দিন উদযাপন বর্তমানে এক সার্বজনীন রূপ পেয়েছে। প্রায় দুই হাজার বছর আগে যিশু খ্রিষ্ট মানুষকে দেখিয়েছিলেন মুক্তি ও কল্যাণের পথ। বড়দিনে তাই যিশু খ্রিষ্টকে গভীরভাবে স্মরণ করে সারা বিশ্বের খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা।
Christmas celebrates the birth of Jesus Christ, who Christians believe is the son of God. Members of the Christian community around the world observe the day most commonly on December 25. Christmas evolved over two millennia into a worldwide religious and secular celebration, incorporating many pre-Christian, pagan traditions into the festivities along the way. Today, Christmas is a time for family and friends to get together and exchange gifts.
 
The name `Christmas` comes from the Mass of Christ. A Mass service (which is sometimes called Communion or Eucharist) is where Christians remember that Jesus died for us and then came back to life. The `Christ-Mass` service was the only one that was allowed to take place after sunset (and before sunrise the next day), so people had it at Midnight! So thus the name Christ-Mass, shortened to Christmas.
 
According to Bible and Christian beliefs, Jesus Christ was born in Bethlehem some two thousand years ago. His mother Mary was engaged to Joseph. But one day an angel named Gabriel appeared to the young Jewish woman Mary. Gabriel told Mary she would have a son, Jesus, who would be the Son of God! Mary was confused and worried about this sudden news, but she had faith in God and said, "I am the Lord's servant; let it be as you say."
 
Mary and her husband-to-be, Joseph, lived in a town called Nazareth. But they had to travel to the city of Bethlehem to register for a census ordered by the Roman emperor, Caesar Augustus. Both Nazareth and Bethlehem are in the country now called Israel. It is about 65 miles (105 km) from Nazareth to Bethlehem, and the trip probably took them several days.
 
When Joseph and Mary got to Bethlehem, there was no place for them to stay because the inn was already full. They ended up spending the night in a stable, a place where animals were kept. There was probably fresh hay on the floor that they used for beds.
 
That night, Jesus was born. There was no crib, so they laid baby Jesus in a manger, a feeding trough for animals. The manger probably had fresh hay in it and made a nice bed for the baby.
 
Jesus, after being grown up, began preaching the Gospel of God. He did many miracles and healed the diseases of people. Many people followed him and among them he chose twelve disciples.  His works and teachings made Jewish leaders angry and they sought to kill him. They got him arrested and crucified him at a place called Golgotha. After Jesus' death, his followers believed he was resurrected, and the community they formed eventually became the Christian church. Many years after his death and resurrection, Christians began celebrating Jesus' birth and the day is now called Christmas.
 
Though the Christmas is commonly celebrated on December 25, the birth date of Jesus Christ is unknown because there is little information about his early life. The New Testament of Bible gives no date or year for Jesus’ birth. There is disagreement among scholars on when Jesus was born. Christmas was not among the earliest festivals of the Church. Even the disciples of Christ did not observe the day and make it any religious festival. Irenaeus and Tertullian omit it from their lists of feasts.
 
By the early-to-mid 4th century, the Western Christian Church had placed Christmas on December 25, a date later adopted in the East. Today, most Christians celebrate Christmas on the date of December 25 in the Gregorian calendar, which is also the calendar in near-universal use in the secular world. However, Orthodox Christians celebrate Christmas Day on or near January 7, following the older Julian calendar. In Armenia, the Apostolic Church celebrates Christmas on January 6th.
 
The first recorded date of Christmas being celebrated on December 25th was in 336AD, during the time of the Roman Emperor Constantine (he was the first Christian Roman Emperor). A few years later, Pope Julius I officially declared that the birth of Jesus would be celebrated on the 25th December. It is commonly believed that the church chose this date in an effort to adopt and absorb the traditions of the pagan Saturnalia festival. First called the Feast of the Nativity, the custom spread to Egypt by 432 and to England by the end of the sixth century. By the end of the eighth century, the celebration of Christmas had spread all the way to Scandinavia. Today, Christmas is celebrated all most all over the world.
 
According to some historians, Job Charnock, founder of Calcutta, now Kolkata, first started celebrating Christmas in Indian subcontinent in 1668. Charnock was on his way to Hijli and he found that the Christmas is knocking at the door when he arrived at Sutanuti village. He observed Christmas there which was the first time Christmas celebration in Indian soil.
 
Christian community in Bangladesh also celebrate Christmas with pomp, gaiety and devotion. Celebrations of Christmas festival begin on the eve of Christmas on 24th of December and continue till New Year`s Day. Christians across the country mark the birth of Lord Jesus Christ on Christmas Day by participating in special masses organized in churches. Celebrations of Christmas are marked by carols, cakes, candles and decoration of Christmas Tree. In several parts of Bangladesh, especially in metropolitan cities like Dhaka, and Chittagong, Christmas Festival has assumed secular overtones and is joyfully celebrated by people of all religions and communities. Christmas Day is called `Barodin` (Big Day) in Bangla and it is a national holiday in Bangladesh.
 
Popular customs of celebrating Christmas include exchanging gifts, Christmas music and caroling, lighting a Christingle, an exchange of Christmas cards, church services, a special meal, and the display of various Christmas decorations, including Christmas trees, Christmas lights, nativity scenes, garlands, wreaths and mistletoe. In addition, several closely related and often interchangeable figures, known as Santa Claus, Father Christmas, Saint Nicholas, and Christkind, are associated with bringing gifts to children during the Christmas season and have their own body of traditions and lore.
 
In Christian households, preparations for Christmas begin at least a month in advance. People get their homes whitewashed and indulge in spring cleaning of the house to give it a fresh new look. Ladies start preparations for the traditional Christmas cake. Hectic shopping activity takes place as everyone buys new clothes for the festival. Christmas Gifts are also bought for friends, relatives and kids in the family. Biggest festival for Christians - Christmas is also the time for family reunions. People staying in different cities for job or higher studies rush back to their homes to celebrate Christmas with their near and dear ones.
 
Christmas is now celebrated by people around the world, whether they are Christians or not. It`s a time when family and friends come together and remember the good things they have.