AIDS

Category

  • Awareness/জন সচেতনতা

Artist

Composer

Lyricist

Rating

  • Total Reviews: 0

Released At

  • April 12,2016

Audio Song


Track


Ring tone (30 Sec)


AIDS



                                  RingTone Code

Song Title
Aduri
Album Name
Khalid Sangeet -1
Gp/Airtel/Teletalk/Robi
5307270
Banglalink
59114197
Singer
Mowtushi
 
For GP : wt space songcode send 4000
For Airtel : ct space songcode send 3123
For Teletalk : tt space songcode send 5000
For Robi : get space songcode send 8466
For Banglalink: down songcode send 2222

এইডস (একুয়ার্ড ইমুনোডিফিসিয়েন্সি সিনড্রোম) হলো এইচআইভি নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি ব্যাধি, যা মানুষের শরীরের রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। এতে করে একজন এইডস রোগী খুব সহজেই যে কোন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটাতে পারে। এইচআইভি সংক্রমণের ফলে অন্যান্য রোগ যেমন-নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে। এইচআইভি সংক্রমণের পরের ধাপকেই এইডস বলা হয়।
 
এইডস রোগ প্রথম দেখা যায় আফ্রিকায় ১৯৭০ সালের দিকে। এরপরে ১৯৭৮ সালের দিকে তা যুক্তরাজ্যেও দেখা যায়। তবে এর ভাইরাস প্রথম সনাক্ত করা হয় ১৯৮১ সালে আমেরিকাতে। আর আমাদের দেশে এই রোগ ধরা পড়ে ১৯৮৯ সালের দিকে একজন পুরুষের শরীরে। তবে ১৯৯১ সাল আসতে আসতে এইডস রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়ায় ৯ জনে, যার মধ্যে মহিলা ছিলেন ২ জন। এরপরে থেকে প্রতি বছরেই এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যার তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে এইচআইভি/এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬.৯ মিলিয়ন। এদের মধ্যে ২.৬ মিলিয়নই শিশু (যাদের বয়স ১৫ বছরের নিচে)। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের হার এখনও শতকরা ০ দশমিক ১ ভাগের নীচে এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১ শতাংশেরও কম৷ সরকারি হিসেবে ২০১৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৪ হাজার ১৪৩ জন। এ সময়ে এইডস রোগে মৃত্যু হয়েছে ৫৬৯ জনের৷ যারা এইচআইভি-তে নতুন সংক্রমিত হয়েছেন, তাদের শতকরা ৭৩ ভাগ পুরুষ, ২৫ ভাগ নারী এবং ২ ভাগ ‘ট্রান্সজেন্ডার' মানুষ৷
 
বিভিন্ন কারণে এইডস ছড়াতে পারে। এই মরণঘাতী রোগ প্রধানত শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়া    এইচআইভি সংক্রমিত রক্ত আদান-প্রদানের মাধ্যমে, কারো ব্যবহৃত সুচ এবং সিরিঞ্জ ব্যবহার এবং সিরিঞ্জ-এর মাধ্যমে দুর্ঘটনা জনিত কারণেও এইডস হতে পারে।গর্ভবতী মা এইচআইভিতে আক্রান্ত হলে, ডেলিভারীর সময় এবং আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করলে শিশুর এই রোগ হতে পারে। শরীরের কোন অঙ্গ বা কলা প্রতিস্থাপন করলে অথবা জীবাণুমুক্ত করা হয়নি এমন সরঞ্জাম দিয়ে দাঁতের চিকিৎসা বা অপারেশন করলেও এইডস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
 
এইডস ছড়ানো নিয়ে অনেক ভুল ধারণাও আছে। অনেকেই মনে করেন এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলেই বুঝি সেও আক্রান্ত হবে। প্রকৃতপক্ষে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে হাত মেলালে বা আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে খেলাধূলা, কোলাকুলি করলে এইডস ছড়ায় না। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘোরা-ফেরা, খাওয়া-দাওয়া করলে, আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একই থালায় ভাত খেলে বা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পায়খানা (Toilet) ব্যবহার করলেও এইডস ছড়ায় না।
 
এইডস হয়েছে কিনা এটা কি করে বুঝবেন? সংক্রমণের ধাপের উপর নির্ভর করে এইচআইভি ও এইডসের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো পৃথক হয়ে থাকে। সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত জ্বর, মাথাব্যথা, গলা ভাঙা, লসিকাগ্রন্থি ফুলে উঠা (Swollen lymph glands), শরীরে লালচে দানা (Rash) ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়।
 
সংক্রমণের পরবর্তী সময় সাধারণত, অস্থিসন্ধি ফুলে ওঠা (Swollen lymph nodes), ডায়রিয়া, শরীরের ওজন কমা, জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়।
 
সংক্রমণের শেষ পর্যায়ে সাধারণত  রাতের বেলা খুব ঘাম হয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে ১০০ ফারেনহাইট (৩৮ সে.) বা এর অধিক তাপমাত্রার জ্বর অথবা কাঁপুনি থাকে। শুকনা কাশি ও শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়া, মুখ অথবা জিহ্বা বেঁকে যাওয়া অথবা সাদা দাগ পড়া, সবকিছু অস্পষ্ট ও বিকৃত দেখা, তীব্র অবসাদ অনুভব হয়। তিন মাসের অধিক সময় ধরে অস্থিসন্ধি ফুলে থাকা ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়।
 
শিশুদের ক্ষেত্রে এইচআইভি’র লক্ষণগুলো হলো - শিশুর ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া। শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি না হওয়া, হাঁটতে সমস্যা, মানসিক বৃদ্ধি দেরিতে হওয়া, কানের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া এবং টনসিলের মতো সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করা।
 
রোগের প্রাথমিক ও পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাতটি মেডিক্যাল কলেজসহ মোট ১২টি সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও এইচআইভি আক্রান্তদের বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণসহ বিভিন্ন সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে৷ এ সব ছাড়াও বেশ কয়েকটি বেসরকারি সাহায্য সংস্থা বা এনজিওর মাধ্যমে এইচআইভি আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে৷
 
স্বাধারণত এইডসের ক্ষেত্রে রক্তের পরীক্ষা (ELISA and Western blot tests), মুখের শ্লেষ্মা পরীক্ষা (Oral Mucus) ইত্যাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
 
এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন এবং অন্যান্য নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। সেই সঙ্গে জীবন-যাপন পদ্ধতিতে সতর্কতা অবলম্বন ও পরিবর্তন আনতে হবে। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন না করা, গর্ভধারণ না করা, সুষম খাদ্য যেমন-তাজা শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি খাওয়া, যেসব খাবার খেলে সংক্রমণ হতে পারে যেমন-কাঁচা খাবার সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকা, বিশুদ্ধ পানি পান করা, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম নেওয়া, ধূমপান ও মদপান থেকে বিরত থাকা, হাত ভালোমত পরিষ্কার করা ইত্যাদি বিষয় মেনে চলতে হবে।
 
জীবন-যাপনে সতর্কতা অবলম্বন ও সচেতনতাই এইডস থেকে প্রতিরোধের উপায়। এজন্য নিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও এইচআইভি আক্রান্ত কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।   অপরিষ্কার এবং কারো ব্যবহৃত সুচ ব্যবহার না করা, কারো থেকে রক্ত গ্রহণ করতে হলে সেটা এইচআইভি সংক্রমিত কিনা পরীক্ষা করে দেখা, নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা, এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির ব্লেড এবং টুথব্রাশ ব্যবহার না করা, গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে সঠিক যত্ন নেয়া, সতর্কতার সাথে নিজের শারীরিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার প্রতি খেয়াল রাখা এইডস সংক্রমণ থেকে বাঁচাবে।
 
আশার কথা হলো ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে এইচআইভিমুক্ত দেশে পরিণত করতে সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে৷ এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এইচআইভি টেস্টিং অ্যান্ড কাউন্সিলিং, আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য পজেটিভ লিভিং কাউন্সিলিং, পুষ্টি, চিকিৎসা এবং কাউন্সিলিং-এর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে৷ স্থাপন করা হয়েছে ন্যাশানাল এইডস কন্ট্রোল সেন্টার৷ বাংলাদেশকে এইডসমুক্ত করতে হলে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে৷ তাছাড়া আক্রান্তদের প্রতি আমাদের সহানুভূতিশীল হতে হবে৷
Human immunodeficiency virus (HIV) is the virus that causes AIDS (acquired immunodeficiency syndrome). When a person becomes infected with HIV, the virus attacks and weakens the immune system. As the immune system weakens, the person is at risk of getting life-threatening infections and cancers. Over time, HIV can destroy so many of these cells that the body can’t fight off infections and disease. These opportunistic infections or cancers take advantage of a very weak immune system and signal that the person has AIDS, the last state of HIV infection. Once a person has the virus, it stays inside the body for life.
 
HIV is believed to have originated in west-central Africa during the late 19th or early 20th century. AIDS was first recognized by the United States Centers for Disease Control and Prevention (CDC) in 1981 and its cause—HIV infection—was identified in the early part of the decade.
 
According to the World Health Organization (WHO), there were approximately 36.9 million people worldwide living with HIV/AIDS at the end of 2014. Of these, 2.6 million were children (under 15 years old). Most of these children live in sub-Saharan Africa and were infected by their HIV-positive mothers during pregnancy, childbirth or breastfeeding. According to WHO, 2 million people became newly infected with HIV in 2014 globally.
 
The first case of HIV infection in Bangladesh was indentified in 1989. However, the number of HIV infected people reached 9 in 1991. Among them 2 were women. Since then the number has been increasing every year.  According to the data of Health Ministry, the rate of HIV infection in Bangladesh is under 0.1 percent. Government statistics say up to November 2015, there were 4,143 HIV positive people in Bangladesh.
 
Symptoms of HIV/AIDS
There are three main stages of HIV infection: acute infection, clinical latency and AIDS. Symptoms related to acute HIV infection (when a person is first infected) can be similar to the flu or other viral illnesses and most commonly include fever and muscle pains, throat inflammation, rash, headache,    night sweats, mouth sores, including yeast infection (thrush), swollen lymph glands, diarrhea etc. However, many people have no symptoms when they are first infected with HIV.
 
Acute HIV infection progresses over a few weeks to months to become an asymptomatic HIV infection (no symptoms). This stage can last 10 years or longer. During this period, the person might have no reason to suspect they have HIV, but they can spread the virus to others.
The initial symptoms are followed by a stage called clinical latency, asymptomatic HIV, or chronic HIV. Without treatment, this second stage of the natural history of HIV infection can last from about three years to over 20 years (on average, about eight years. While typically there are few or no symptoms at first, near the end of this stage many people experience fever, weight loss, gastrointestinal problems and muscle pains.
If they are not treated, almost all people infected with HIV will develop AIDS. Some people develop AIDS within a few years of infection. Others remain completely healthy after 10 or even 20 years.
 
People with AIDS have had their immune system damaged by HIV. They are at very high risk of getting infections that are uncommon in people with a healthy immune system. These infections are called opportunistic infections. These can be caused by bacteria, viruses, fungi, or protozoa, and can affect any part of the body. People with AIDS are also at higher risk for certain cancers, especially lymphomas and skin cancer.
 
Symptoms depend on the particular infection and which part of the body is infected. Lung infections are common in AIDS and usually cause cough, fever, and shortness of breath. Intestinal infections are also common and can cause diarrhea, abdominal pain, vomiting, or swallowing problems. Weight loss, fever, sweats, rashes, and swollen lymph glands are common in people with HIV infection and AIDS.
 
How HIV virus Spread?
The HIV virus is spread (transmitted) person-to-person in various ways. People can be infected through sexual contact. Infections also caused through blood, particularly by blood transfusions or more often by needle sharing. From mother to child -- a pregnant woman can spread the virus to her fetus through their shared blood circulation, or a nursing mother can pass it to her baby through her breast milk. After HIV infects the body, the virus can be found in many different fluids and tissues in the body. Only blood, semen, fluids from the vagina, and breast milk have been shown to transmit infection to others. The virus may also be found in saliva, tears, and spinal fluid.
 
However, the virus is not spread by casual contact with infected people, such as hugging, mosquito bites, participating in sports, touching items that were touched by a person infected with the virus.
 
Diagnosis of HIV/AIDS
HIV/AIDS is diagnosed via laboratory testing and then staged based on the presence of certain signs or symptoms. People ages 15 to 65 should have a screening test for HIV. People with risky behaviors should be tested regularly. Pregnant women should also have a screening test. Additionally, testing is recommended for those at high risk, which includes anyone diagnosed with a sexually transmitted illness.
 
HIV/AIDS is treated with medicines that stop the virus from multiplying. This treatment is called antiretroviral therapy (ART). Regular blood tests are needed to make sure the virus level in the blood (viral load) is kept low, or suppressed. The goal of treatment is to lower the HIV virus in the blood to a level that is so low that the test can't detect it. This is called an undetectable viral load.
 
Though current treatments do not cure the infection but with treatment, most people with HIV/AIDS can live a healthy and normal life. The medicines only work as long as they are taken every day. If the medicines are not taken regularly, the virus can become resistant to one or more of the drugs, and the treatment will stop working.
 
People who are on treatment need to see their health care providers regularly. This is to make sure the medicines are working and to check for side effects of the drugs.
 
Prevention of HIV/AIDS
Taking preventive steps lessens the risks of getting infected by HIV virus. Safer sex practices, such as using latex condoms, are effective in preventing the spread of HIV. But there is still a risk of getting the infection, even with the use of condoms (for example, condoms can tear). Abstinence is the only sure way to prevent sexual transmission of HIV.
Do not use illegal drugs and do not share needles or syringes. Avoid contact with another person's blood. If possible, wear protective clothing, a mask, and goggles when caring for people who are injured.
If you test positive for HIV, you can pass the virus to others. You should not donate blood, plasma, body organs, or sperm. HIV-positive women who might become pregnant should talk to their provider about the risk to their unborn child. They should also discuss methods to prevent their baby from becoming infected, such as taking antiretroviral medicines during pregnancy. Breastfeeding should be avoided to prevent passing HIV to infants through breast milk.
 
HIV infected people who are taking antiretroviral medicines are less likely to transmit the virus. If you believe you have been exposed to HIV, seek medical attention right away. Do not delay. Starting antiviral medicines right after the exposure (up to 3 days after) can reduce the chance that you will be infected. This is called post-exposure prophylaxis (PEP). It has been used to prevent transmission in health care workers injured by needle sticks.
 
It is very pleasant to know that the Bangladesh government has taken initiatives to make the country HIV free within 2030. The government is providing HIV testing and counseling, positive living counseling for infected people, nutrition and treatment. National AIDS Control Centre has been established. We must be change out outlook to the infected people and be sympathetic towards them.